মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
টুংটাং শব্দে মুখর মধুপুরের কামার পল্লী, মজুরী বেশি নেয়ার অভিযোগ গ্রাহকের মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ

সখীপুরে মসজিদে দান করা জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪২১ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মসজিদে দান করা জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে সখীপুর-গোড়াই সড়কের প্রতিমা বংকী ফাজিল মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন চলে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি সোহরাব মাস্টারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জিন্নত আলী মেম্বার, আফসার আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মাস্টার ও যুগ্ম সম্পাদক রউফসহ অন্যরা।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল কদ্দুস মসজিদের জন্য দান করা ২০ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে সামাজিকভাবে তাগিদ দেয়া হলেও তিনি জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। আব্দুল কদ্দুস কৌশলে মসজিদের জমির দলিল গোপন রেখে ভবনটি অন্যত্র নির্মাণ করেন। পরে দান করা জমিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দোকানঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করতে থাকেন।

এ সময় মুসল্লিরা দ্রুত মসজিদের জমি উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আব্দুল কদ্দুস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা। অনেক আগেই আমি মসজিদের জমি বুঝিয়ে দিয়েছি। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আমার কাছে আছে। আর আমি ওই মসজিদের সভাপতি ছিলাম না।’

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে মসজিদ নির্মাণের জন্য স্থানীয় মো: নায়েব আলী সিকদার, শামছুল আলম, বদরুদ্দোজা ওরফে লোকমান হোসেন, নজিমন নেছা ও মনোয়ারা বেগম মোট ২০ শতাংশ জমি দান করেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102