মধুপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদপত্র

রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির ভবন নির্মাণে বাঁধা সাধারণ সম্পাদকে হুমকি মধুপুরে অপরাধ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত টাংগাইলের ১২টি উপজেলার ৮১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ডের কথাও ভাবছে সরকার-তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনগণ ভালো থাকলে সরকার ভালো থাকবে মধুপুরে-আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষায় মধুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের বাড়ি নির্মাণে বাধা,১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি:মালামাল লুট ঘাটাইলে চাপড়ীতে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, ৯০টি পরিবার অবরুদ্ধ মধুপুরে ঐতিহ্যবাহী শালবন রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত টাংগাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন সরাসরি

টাংগাইলের ১১০০ কেজির রাজাবাবু কোরবানির হাটের প্রধান আকর্ষণ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে টাঙ্গাইলের কোরবানির হাটে প্রধান আকর্ষণ হতে যাচ্ছে ১১০০ কেজি (২৭ মণের বেশি) ওজনের এক বিশাল ষাঁড়। বলিউড সিনেমার নামানুসারে এর নাম রাখা হয়েছে ‘রাজাবাবু’। সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা কালো রঙের এই হলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টির দাম চাওয়া হচ্ছে ৮ লাখ টাকা।

বিশাল আকৃতির এই ‘রাজাবাবু’কে দেখতে প্রতিদিনই মীর ছানোয়ার আলী অ্যাগ্রো অ্যান্ড ডেইরি খামারে ভিড় করছেন দূরদূরান্তের দর্শনার্থী ও ক্রেতারা।

খামার সূত্রে জানা যায়, কোরবানির হাটে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পশুর শারীরিক গঠন বা স্বভাবের ওপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্র তারকা ও সিনেমার নামে নাম রাখার চল বেশ জনপ্রিয়। ঠিক তেমনই সাড়ে তিন বছর আগে এই খামারেই জন্ম নেওয়া সুঠাম দেহের এই ষাঁড়টির রাজকীয় স্বভাবের কারণে নাম দেওয়া হয়েছে ‘রাজাবাবু’। দেখতে অনেকটা হাতির মতো বিশাল ও শান্ত স্বভাবের এই ষাঁড়টিকে কোনো ধরনের কৃত্রিম ওষুধ বা স্টেরয়েড ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবারে বড় করে তুলেছেন টাঙ্গাইল শহরের ব্যবসায়ী মীর সজিবুজ্জামান।

খামারে রাজাবাবু ছাড়াও রাজা, সিনভা, হালুয়া, পুষ্পারাজা, বাহাদুর ও সম্রাটের মতো উন্নত জাতের আরও বেশ কয়েকটি বড় ষাঁড় প্রস্তুত করা হয়েছে।

সরেজমিনে খামারে গিয়ে দেখা যায়, শান্তভাবে বসে থাকা রাজাবাবুকে সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করছেন কর্মচারীরা। খামারে আসা ক্রেতা সামি ও মো. সৌরভ বলেন, ‘আশপাশে এত বড় ও সুন্দর গরু আর নেই। পুরো কালো রঙের এই রাজাবাবুকে আমাদের খুব পছন্দ হয়েছে। মালিক পক্ষ ৮ লাখ টাকা দাম চাচ্ছেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এটি কেনার চেষ্টা করবো।’

খামারের কর্মচারী সোহেল মিয়া ও সুবাহান মিয়া বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই আমরা একে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করছি। কাঁচা সবুজ ঘাস, গম ও ছোলার ভুসি এর প্রধান খাবার। কোনো ক্ষতিকারক মেডিসিন একে খাওয়ানো হয়নি। রাজাবাবু সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করে, তাই দিনে তিনবার তাকে গোসল করাতে হয়।’

ষাঁড়টির মালিক মীর সজিবুজ্জামান বলেন, ‘রাজাবাবুর জন্ম আমার খামারেই। ছোটবেলা থেকেই ওর চলাফেরা ও স্বভাব ছিল রাজকীয়। নোংরা জায়গায় ও একদম থাকতে চায় না। রাজকীয় স্টাইলের কারণেই ওর নাম রাখা হয়েছে রাজাবাবু। আমাদের নিজস্ব জমির কাঁচা ঘাস ও দানাদার খাবার খাইয়ে ওকে বড় করা হয়েছে। আশা করছি, উপযুক্ত দামে এবার কোরবানির হাটে রাজাবাবুকে বিক্রি করতে পারবো।’

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন খান বলেন, ‘জেলায় অনেক খামারিই শৌখিনভাবে বিশাল আকারের গরু লালন-পালন করছেন। আমরা তাদের নিয়মিত তদারকি ও সার্বিক পরামর্শ দিচ্ছি। খামারিরা যাতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজা করেন, তা মাঠপর্যায়ে কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার টাঙ্গাইলে কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় প্রায় ৪০ হাজার পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জেলার ২৬ হাজারের বেশি খামারে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন গবাদিপশুর খামারিরা।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

The Trend (Online Shop)

©২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়)
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102